মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৩:৪৮ অপরাহ্ন

  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
আত্বহত্যাকে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ প্রচার করে মামলা দিয়ে সৌদি প্রবাসীকে ফাসানোর চেষ্টা।
স্টাফ রিপোর্টারঃ / ৩৭০ বার
আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০

মানিকগঞ্জ জেলার সিঙ্গাইর উপজেলার দক্ষিন ধল্লা ইউনিয়নের দক্ষিন ধল্লা গ্রামের রফিজুদ্দিন এর মেয়ে শরিফা আক্তার(২০) ২৩ ডিসেম্বর ২০১৯ নিজ বাড়িতে পূর্ব ভিটার দো চালা ঘরের আড়ার সাথে আনুমানিক রাত ৮ঃ৩০ মিনিটে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্বহত্যা করে।খবর পেয়ে সিঙ্গাইর থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ মর্গে পাঠায়।ময়না তদন্ত শেষে লাশটি তার পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয়।

এই মর্মে থানায় একটি অপমৃত্যু দায়ের হয়।কিন্তু শরিফার পরিবার অপমৃত্যুর মামলা না মেনে কোর্টে একই গ্রামের সৌদি প্রবাসী ইস্রাফিল (আই পি রহমান) ,তার বাবা ইয়াকুব আলী,এবং মা ও চাচার নামে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মামলা করে।

শরিফা আক্তারের পিতা রফিজুদ্দিন অভিযোগ করেন,তার মেয়ের সাথে পাঁচ বছর আগে একই গ্রামের ইস্রাফিলের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে এবং তারা পালিয়ে বিয়ে করে।এর পর পরিই ইস্রাফিল সৌদি ও শরিফা আক্তার জর্ডান চলে যায়।এই বিষয়ে মুঠোফোনে ইস্রাফিলের সাথে যোগাযোগ করলে,ঘঁটনাটি সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করে।

এরই মধ্যে উলে­লখিত গ্রামে খোজ নিয়ে জানা যায়,শরিফা স্ত্রীর দাবী নিয়ে ইস্রাফিলের বাড়িতে উঠে। পরে ইস্রাফিলের পরিবার ঐ মেয়ের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করে । সে অভিযোগে উলে­খ করেন, সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করতেই মেয়েটি ছেলের স্ত্রী সেজে তার বাড়িতে উঠেন।এস আই মোস্তফা গ্রামের মেম্বার ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে মা চাচার সাথে শরিফাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন যেহেতু ছেলে দেশের বাহিরে আছে। চেয়ারম্যান -মেম্বাররা শরিফা আক্তারের পরিবারকে জানায়, বিষয়টি পরবর্তীতে সমাধান করা হবে।

এর ১০-১২ দিন পর শরিফা আক্তার ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যানের কাছে গেলে-চেয়ারম্যান তাদের জানায়,ছেলে না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। সেই দিনই শরিফা আক্তার বাড়িতে এসে আত্বহত্যার পথ বেছে নেয়। পরবর্তীতে শরিফার পরিবার ইস্রাফিলের বাবা মা চাচা ও ইস্রাফিলের নামে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের মামলা করে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর
জনপ্রিয় খবর
সর্বশেষ খবর